SEARCH PROJECTS

We understand that no two projects are ever the same, so when it comes to appointing a contractor to deliver the services you need confidence is key.


{{ (data | filter: {id: projectId, name: projectName, area: projectArea, link: projectLink, image: projectImage, size: projectSize, type: projectType, status: projectStatus}).length }} Projects Matched

Quick Enquiry
Menu

চট্টগ্রামের আবাসন খাতে সিপিডিএল এর অতুলনীয় সংযোজন গ্রীন কনসেপ্ট
সবুজ ঐতিহ্যের অনন্য দেবপাহাড়ে নির্মীত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম গ্রীন গেইটেড কমিউনিটি সিপিডিএল সুলতানা গার্ডেনিয়া। চট্টলার ঐতিহ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি'র সুপ্রাচীন প্রাণকেন্দ্র দেবপাহাড় এলাকার এই প্রকল্পটি চট্টগ্রামের আবাসন খাতের নতুন বিস্ময়। গত ২০শে এপ্রিল প্রকল্প এলাকায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির “নকশা মোড়ক” উম্মোচনের মাধ্যমে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা'র শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
ব্যস্ত নগর জীবন বয়ে চলে খেলাধুলা ও বিনোদনহীন একঘেয়েমিতে, চারদেয়ালের ঘেরাটোপে। ক্রমেই যেন সবাই হাপিয়ে উঠছেন, এতে শিশুদের জীবন সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত, খেলার মাঠ অপর্যাপ্ত, যাও-বা কিছু আছে তা আবার অনিরাপদ, ট্রাফিক জ্যাম, কোলাহল কত না ঝক্কি ঝামেলা চুকিয়ে পৌছতে হচ্ছে সেখানে তাদের। এমনটা যদি হয়- আপন আঙিনাটিতেই, নিজস্ব নিরাপত্তায় যদি পাওয়া যায় কাঙ্ক্ষিত সেই সেবা সুযোগ! চোখের সামনে যদি থাকে দৃষ্টিনন্দন সবুজের সমারোহ! সেই আরাধ্য চাহিদাকেই বাস্তবে রূপায়িত করতে যাচ্ছে আবাসন কোম্পানী সিপিডিএল। ২নং দেবপাহাড়ের নিরিবিলি ৭১ কাঠা জায়গাটিতে প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ করছে সুলতানা গার্ডেনিয়া নামে আবাসিক প্রকল্পটি।
দখিনমুখী চারটি টাওয়ারে ১৫৫ টি এপার্টমেন্ট নিয়ে পরিকল্পিত হয়েছে প্রকল্পটি। ভূমির পরিমিতি, সূর্যের গতিপথ, বায়ু প্রবাহের দিক এসব কিছু বিবেচনায় নিয়েই নির্মীত হবে গার্ডেনিয়া।
অনুষ্ঠানে মেয়র একই সাথে সিপিডিএল এর নতুন সামাজিক কার্যক্রম সবুজ ঐতিহ্যে অনন্য দেবপাহাড় এরও শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি জনহিতকর কাজে সিপিডিএল এর নিয়মিত উদ্যোগ সমূহের প্রশংসা করে বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর সবুজ প্রকৃতি আমাদের গৌরব, আমাদের ঐতিহ্য, একে সমুন্নত রাখা সকল নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য, প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সিপিডিএল তার দায়িত্ব পালন করছে। দেবপাহাড় এলাকাবাসীর প্রতি এই উদ্যোগে সহযোগী হওয়ার জন্য মেয়র মহোদয় উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, যে যেভাবে পারেন পরিকল্পিতভাবে সবুজ তৈরি করুন। সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিতের জন্য বর্তমানে সবুজের খুব বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে মেয়র নগরবাসীর প্রতি পরিকল্পিতভাবে সবুজ তৈরির ব্যাপারে জোর দেন। সবুজের সমারোহকে দৃষ্টিনন্দনভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি বিনোদনের সুবিধা নিয়ে গড়ে তোলা সিপিডিএল’র প্রকল্পটি প্রশংসনীয় ও যুগোপোযোগী বলে মন্তব্য করেন তিনি। দেবপাহাড়ের হাতে নেওয়া আবাসন প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজে সবাই যেভাবে সন্তুষ্ট হয়েছেন সে সন্তুষ্টি যেন শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে সেই ব্যাপারে সিপিডিএল এর কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মেয়র। এর আগে মেয়র বলেন, অনেক আবাসন কোম্পানী আছে যারা শুরুতে মুখরোচক ও নানা মিষ্টি কথা বলে থাকে। একটি পর্যায়ে নানা কারণে তাদের প্রতি ক্লায়েন্টরা আস্থা হারাচ্ছেন। এতে উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে। এক্ষেত্রে সিপিডিএল শুরু থেকেই কয়েকটি প্রকল্প সফলতার সাথে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্লায়েন্টদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে বলে জানান তিনি।
উক্ত অনুষ্ঠানে সিপিডিএল এমডি এন্ড সিইও ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন বলেন, এই ভূমিতে আমরা এমন কিছু নির্মাণ করতে যাচ্ছি, যা বদলে দেবে চট্টগ্রামের আবাসন রুচি, চাহিদা ও প্রত্যাশা। প্রকল্পটিতে মূলত সবুজকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটিতে ৫০ শতাংশ জায়গা খোলা থাকছে। চারটি টাওয়ারের মাঝখানের অংশে থাকছে চমৎকার একটি গ্রীন স্পেস, যাতে থাকবে বাঁধানো বাগান, ওয়াকওয়ে, লাইব্রেরী, শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল হতে শুরু করে খেলাধুলার নানা আয়োজন। শিশুদের পাশাপাশি বয়োবৃদ্ধসহ সব বয়সীদের বিনোদনের জন্যও রয়েছে স্পেস। প্রকল্পটির বিভিন্ন অবস্থানে ৫১ হাজার বর্গফুটেরও বেশী জায়গা জুড়ে স্থাপন করা হবে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নানারকমের সুযোগ সুবিধাদি। এছাড়া ভবনের ছাদসহ আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় সমানে গ্রীন স্পেস বা সবুজের সমারোহ এ প্রকল্পটিতে থাকছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের ভূমি মালিক ব্যারিস্টার কামাল উল আলম। তিনি বলেন, সিপিডিএল এর বিএস হ্যারিটেজ, ক্রিমসন ক্লোভার, ডাউনটাউন সিপিডিএল এবং চলমান পার্ক রেসিডেন্স প্রকল্প সমূহের পরিকল্পনা এবং উদ্ভাবনী প্রয়াশে তাঁদের মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। বড় আকারের প্রকল্প হাতে নিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন করার পরীক্ষিত দক্ষতাই মূলতঃ তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও স্মৃতি জড়িত প্রিয় বাড়ীটির ডেভেলপার হিসেবে সিপিডিএল কে নির্বাচিত করার প্রধাণতম কারন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাছাড়া এই প্রকল্পটি নিয়ে সিপিডিএল এর প্রাথমিক প্রস্তাবনাটিও ছিলো অসাধারণ। আগত দিনে এই প্রকল্পটি জন্ম দিবে অনেক দারুন স্বপ্ন ও অমিত সম্ভাবনা এমনটা-ই প্রত্যাশিত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চসিকের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, জামালখান ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, সিপিডিএল’র চেয়ারম্যান আবুল হোসেন চৌধুরী, পরিচালক প্রকৌশলী রেজাউল করিম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, প্রকল্পের এই উদ্বোধন এর ধারাবাহিকতায় প্রকল্প প্রাঙ্গণ ২নং দেবপাহাড়ে সিপিডিএল আয়োজন করেছে বিক্রয় সেবা কার্যক্রম গ্র‍্যান্ড লঞ্চিং এক্সপো, আগামি ৩ মে পর্যন্ত চলবে এই বিক্রয় সেবা কার্যক্রম।